
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে তিশা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার শাহসুফি মাজার গেট বটতল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া দক্ষিণ আমিরাবাদ এলাকার তোফায়েল মুরছালীন (২৩) এবং চন্দনাইশ উপজেলার উত্তর কাঞ্চননগর এলাকার আব্দুল গফুর (৬০)। তোফায়েল মুরছালীন বেগম ওসমান আরা কলেজ অব নার্সিংয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আব্দুল গফুর ওই এলাকার মৃত কালু মিয়ার ছেলে।
আহতরা হলেন—সাতকানিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরপাড়া এলাকার সানজিদা আক্তার সুমাইয়া (২৪), চন্দনাইশের হাশিমপুর ইউনিয়নের ভাইখলিফা পাড়ার মো. আরিফ ইসলাম (৪০) এবং দক্ষিণ হারলা এলাকার মো. সায়মন হোসেন খায়ের (২০)। সায়মন ওই সিএনজি অটোরিকশার চালক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী তিশা প্লাটিনামা পরিবহনের একটি এসি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা পাঁচজনই গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তোফায়েল মুরছালীনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আব্দুল গফুরের মৃত্যু হয়।
বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. এটিএম মনিরুল কবির জানান, দুর্ঘটনায় একজনকে হাসপাতালে আনার পর মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। বাসটির চালক সোলাইমান বাদশাকেও আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।