
নিজস্ব সংবাদদাতা:
সৌদি আরবের রিয়াদে ১৩ই আগস্ট বৃহস্পতিবার আহমেদ আল সুমিত গ্রুপ ও তানমিয়া ফুড কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে “আহমেদ আল সুমিত গ্রুপ ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়।
খেলাটির স্পন্সরে ছিলেন আহমেদ আল সুমিত গ্রুপের ডাইরেক্টর জনাব সামশুল আলম।
উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহমেদ আল সুমিত গ্রুপের ডাইরেক্টর জনাব সামশুল আলম। উদ্ভোদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ইব্রাহিম সাইজু।
এছাড়াও উক্ত খেলায় উপস্থিত ছিলেন আহমেদ আল সুমিত গ্রুপ ও তানমিয়া ফুড কোম্পানির কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি জনাব সামশুল আলম বলেন, কাজের পাশাপাশি শরীর ও মনকে ভালো রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই কাজের পাশাপাশি খেলাধুলাকে শারীরিক ও মানসিক ব্যায়ামে অভ্যস্ত করলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
তিনি আরো বলেন, প্রতি বছর এমন খেলা আয়োজনের ফলে আহমেদ আল সুমিত ও তানমিয়া কোম্পানির সকল কর্মী খুবই আনন্দিত ও উৎসাহিত হন। এতে কর্মক্ষেত্রে তাদের কাজের স্পৃহা বৃদ্ধি পায়। আমরা আশা করি, এভাবে যেন আল সুমিত গ্রুপ ও তানমিয়া কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক সফলতা আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং সকল কর্মীকে কাজের জন্য উৎসাহিত করতে পারে। উক্ত খেলায় যারা অংশগ্রহণ করেছেন এবং উপস্থিত থেকে সকল দলকে উৎসাহিত করেছেন ও খুব সুন্দরভাবে খেলাটি সম্পন্ন করেছেন, তাদের সবার প্রতি রইল আহমেদ আল সুমিত গ্রুপের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় মাজমা পিপিএল বনাম শাকরা পিপিএল। শাকরা পিপিএল টসে জিতে শুরুতেই মাজমাকে ব্যাটিং এ পাঠাই। মাজমা পিপিএল ১০ ওভারে শাকরা পিপিএলকে ১৯৭ রানের টার্গেট দেয়।
জবাবে শাকরা পিপিএল এর ইনিংস থামে ১০ ওভারে ১৬৩ রানে। অর্থাৎ মাজমা পিপিএল ৩৪ রানে জয় লাভ করে। মাজমার পক্ষে উসমানের ব্যাট থেকে আসে ৬৯ রান, সোহেল করেন ৩৪ রান, তালহা ২৭ আর অধিনায়ক দায়ান ৩৪ রানে অপরাজিত। আর শাকরার পক্ষে অধিনায়ক আদনানের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ১০৬ রান, বাকি ব্যাটসম্যানরা ইনিংস তেমন একটা বড় করতে পারে নাই।
শাকরা পিপিএল টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ফয়সাল। আর মাজমা টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন দায়ান।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় কেচিং টিম বনাম আলঘাত পিপিএল। কেচিং টিম টসে জিতে নিজেরাই ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা আলঘাত পিপিএল কে ১০ ওভারে ১৬৩ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয়। জবাবে ১০ ওভারে আলঘাতের ইনিংস থামে একসাথে ১৩৩ রানে।
কেচিং টিমের পক্ষে ইনিংসের সর্বোচ্চ ৪৪ রান আসে ব্যাটসম্যান ফরহাদের ব্যাট থেকে। এছাড়াও অধিনায়ক সুফিয়ান করেন ২৮ রান আর মাহমুদুল্লাহ করেন ৩৭ রান।
আলঘাতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন হাবিবুল্লাহর। কেচিং টিম ৩০ রানে জয়লাভ করে। আলঘাত পিপিএলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন বোলার জাহেদ আর কেচিং টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন বোলার আমিনুল্লা।
দিনের তৃতীয় খেলায় ফাইনালে মুখোমুখি হন মাজমা পিপিএল বনাম কেচিং টিম।
টসে কেচিং টিম জয়লাভ করে এবং ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেই এবং তারা মাজমাকে ১০ ওভারে ১৭৪ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয়। জবাবে মাজমা পিপিএল এর ইনিংস থামে ১৬৩ রানে।
কেচিং টিম এর পক্ষে ব্যাটসম্যান ফরহাদের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫২ রান এবং ব্যাটসম্যান তায়মূরের ব্যাট থেকে আসে ৫০ রান। মাজমা পিপিএল টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন তালহা আর অধিনায়ক দায়ান করেন ৩৪ রান।
কেচিং টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন বোলার উমাইছ আর মাজমা পিপিএল টিমের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট নেন বোলার জমির। ফাইনাল খেলায় কেচিং টীম ১১ রানে জয়লাভ করে।
ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় কেচিং টিমের ফরহাদ। আর ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট নির্বাচিত হয় শাকরা পিপিএল এর টিমের পক্ষে ১০৬ রান করা অধিনায়ক আদনান।
শেষে অতিথিবৃন্দগন চেম্পিয়ন, রানার্সআপ, তৃতীয় স্থান ও চতুর্থ স্থান অধিকারী দলের হাতে পুরস্কার এবং প্রাইজমানি তোলে দেন।