1. news@hridoyechattogramsangbad.com : হৃদয়ে চট্টগ্রাম সংবাদ : হৃদয়ে চট্টগ্রাম সংবাদ
  2. : lf_vsKTJVdAWtDP :
  3. info@www.hridoyechattogramsangbad.com : হৃদয়ে চট্টগ্রাম সংবাদ :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Win Place Casino Promo Code: Play Casino Online for Exclusive UK Deals শারদীয় দুর্গোৎসবে দর্শনার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্নে কানুনগো পাড়ায় সড়ক সংস্কার বোয়ালখালীতে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে উন্নত প্রযুক্তির সেবা দিচ্ছে মোহছেন আউলিয়া এন্টারপ্রাইজ পটিয়া খলিলুর রহমান মহিলা কলেজে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত এমপি সাহেব জানেন নাকি, দোহাজারীর ভোটে এমপি আপনি? দোহাজারীতে এমপি জসিমের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল বাঁশখালীতে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সাধনপুর ইউনিয়নে প্রস্তুতিমূলক সভা পূজায় বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে ছাড় নেই’ —পটিয়ায় এমপি এনামুল হক দোহাজারী ৮ দলীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ৪র্থ খেলা অনুষ্ঠিত বোয়ালখালীর শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান শহীদুল আলম দোহাজারীকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে উত্তাল রাজপথ, মহাসড়ক অবরোধ

আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে শুরু হলো মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে

 

মোহাম্মদ এরশাদ বাঁশখালী চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের মহামহিম প্রতিষ্ঠতা বিশ্ব ওলি হজরত শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) কেবলাজান ছাহেবের মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরিফ শুরু হয়েছে।

সাম্য, শান্তি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে প্রতিবছরের মত এবারও লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে শুক্রবার জুমার বিশাল জামাতের পর বিশ্ব ওলি হজরত শাহ সুফি খাজাবাবা ফরিদপুরী (কু.ছে.আ.) কেবলাজান ছাহেবের পবিত্র রওজা শরিফ জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে উরস শরীফ শুরু হয়।

ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার আটরশি গ্রামে অবস্থিত বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে চার দিনব্যাপী এই উরস শরীফ ১০, ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। উরস শরীফ উৎযাপনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই লক্ষ ভক্তবৃন্দ সমবেত হয়েছেন। মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বিশ্ব উরস শরীফ।

মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ উপলক্ষে নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল। দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ আশেকান, জাকেরান, ধর্মপ্রাণ মুমিন মুসলমান ও ভক্তবৃন্দ সমবেত হচ্ছেন বিশ্ব জাকের মঞ্জিলে। ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাতসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন রাত ৩টায় রহমতের সময় থেকে শুরু করে এশার নামাজের পর দয়াল নবীকে ৫০০ বার দূরুদ শরীফ নজরানা দিয়ে কর্যক্রম শেষ হয় বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের। দিনব্যাপি চলতে থাকে ধর্মীয় আলোচনা ও বিশেষ মোনাজাত।

বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের সুমহান প্রতিষ্ঠতা বিশ্ব ওলী হয়রত খাজাবাবা ফরিদপুরী ১৩৫৪ বাংলায় ফরিদপুরের সদরপুরে আটরশি গ্রামে আসেন।

আটরশির নিভৃত পল্লীতে জাকের ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে তিনি রাসুল (সাঃ) এর সত্য তরিকা প্রচার শুরু করেন। খাজাবাবা প্রথমে যেদিন আটরশিতে আসেন সেইদিন ছিল কোরবানীর ঈদের দিন। তিনি দেখলেন সেই ঈদের দিনে লোকজন লাঙ্গল-জোয়াল নিয়ে মাঠে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে নামাজ ছিল না-সমাজ ছিল না। ধনী, মানী, জ্ঞানী, গুণী লোক ছিল না। গরু কোরবানী হতো না। গরুর গোস্তকে এই এলাকার মোসলমানেরা অস্পৃশ্য মনে করত। ইসলাম কি-তারা জানত না। পার্শ্বেই ছিল হিন্দু জমিদারের বাড়ী। এই এলাকার মোসলমানগণ জমিদার বাড়ীর পূজায় অংশ গ্রহণ করত; পূজার প্রসাদ খাইত। তারা হিন্দুয়ানী রীতিকে ভালবাসিত। হিন্দুয়ানী রীতিতেই চলিত। ইসলামী আদর্শ ও মূল্যবোধ তাদের কাছে অপরিচিত ছিল। আটরশির মত এত নিকৃষ্ট গ্রাম বাংলাদেশে আর দ্বিতীয়টি ছিল না। সেই ঈদের দিনে তিনজন নিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করলেন খাজাবাবা। খোদাতায়ালার নিকট এই দু’আ করলেন, ‘‘হে খোদাতায়ালা!
এই যে তিন/চার জন আমরা ঈদের নামাজ পড়িলাম। দয়া করিয়া তুমি এখানে বিশাল ঈদের জামাত কায়েম কর।”
মহান খোদাতায়ালার দয়ায় আজ এখানে বিশাল ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে নাজাম আদায় করে।

এই ফরিদপুর জেলার গেরদা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেছিলেন হযরত ফরিদপুরী (কুঃ) ছাহেবের দাদাপীর হযরত সৈয়দ ওয়াজেদ আলী (রহঃ)। তিনি সেখানে সত্য ইসলামের হিদায়াত করতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন এবং মনে কষ্ট নিয়ে কলকাতা চলে গিয়েছিলেন ফরিদপুর ছেড়ে।

তবে কলকাতা যাবার প্রাক্কালে তিনি ভবিষৎবাণী করে গিয়েছিলেন, “এখানে আমার গোলামের গোলাম আসবে যার সামনে কোন অপশক্তিই টিকবেনা।” সেই মহান বুযুর্গের গোলাম হযরত এনায়েতপুরী (কুঃ) এবং উনার গোলাম খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃ) সাহেব যিনি স্বীয় দাদাপীরের ভবিষ্যত বাণী অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত করেছেন এবং হিদায়েতের বাণী প্রচারে, ইসলামের সত্য প্রচারে প্রতিষ্ঠা করেছেন বিশাল পুণ্য ভুমি “বিশ্ব জাকের মঞ্জিল”। তিনি রাসুল (সাঃ) এর আদর্শে আদর্শবান হয়ে গড়েছিলেন নিজের জীবনকে, নিজের পীরের সংস্পর্শে সুদীর্ঘ ৪০ বছর সাধনা করেন। তিনি ছিলেন রাসুল (সাঃ) এর সুন্নতের পরিপূর্ণ অনুসারী, জীবনযাত্রা ছিল রাসুল (সাঃ) এর চরিত্রের বাস্তব চিত্র।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট