
রাজিব মজুমদার, মীরসরাই, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ৩০ জন অভিভাবকের চোখে ছানি রোগ শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং খুলশীর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে চশমাও বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং কমফোর্ট হাসপাতালের প্যাথলজিস্টরা স্বাস্থ্যসেবা দেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ৩০ জন অভিভাবকের চোখে ছানি রোগ শনাক্ত হয়। শনাক্ত রোগীদের পরবর্তীতে বিনামূল্যে ছানি অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
কর্মসূচিটির স্পন্সর ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং খুলশীর সম্মানিত সিনিয়র সদস্য লায়ন আলহাজ মাজহার উল্ল্যাহ মিয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫, বি-৪, বাংলাদেশ এর মাননীয় গভর্নর লায়ন কামরুজ্জামান লিটন এমজেএফ, প্রথম ভাইস গভর্নর লায়ন মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিকী পিএমজেএফ, লায়ন আলমগীর হোসেন বাবুল, আরসি কনসার্ন, লায়ন আবুল হাশেম, জেডসি কনসার্ন, লায়ন আরশাদুর রহমান, আরসি হেডকোয়ার্টার অ্যাক্টিভিটিস, লায়ন মাহি, ডিস্ট্রিক্ট আইটি চেয়ারপার্সন, লায়ন নিজাম উদ্দীন এবং লায়ন ইলিয়াস রিপন।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব আবুল হাশেম, জোরারগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. মফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং প্রধান শিক্ষক নেপাল কুমার নাথ।
এ ছাড়া লিও ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-বি৪ বাংলাদেশের রিজন ডিরেক্টর লিও জুয়েল দাশ এবং লিও ক্লাব অব চিটাগং খুলশী ব্লু-এর লিও সাদেক হোসেন, লিও আবরাজ ও লিও ফরহাদসহ সংশ্লিষ্ট লিও সদস্যরা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং খুলশীর প্রেসিডেন্ট লায়ন রাশেদা আক্তার মুন্নী। কর্মসূচিটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং খুলশী।
আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।