
এম এ হামিদ : সুদূর আমেরিকায় প্রবাস জীবন যাপন করলেও দেশের মানুষের দুঃখ–দুর্দশা তাঁকে প্রতিনিয়ত নাড়া দেয়। মানবিক দায়বদ্ধতা ও দেশপ্রেমের তাগিদে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম এ জাফর।
তিনি শাহেদা–জাফর ফাউন্ডেশনের মাননীয় চেয়ারম্যান, এলডিপি বাংলাদেশ–আমেরিকা শাখার সভাপতি এবং এলডিপি কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিক সেবাই তাঁর জীবনের প্রধান ব্রত হয়ে উঠেছে।
দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে আলহাজ্ব এম এ জাফর দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত শাহেদা–জাফর ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানামুখী মানবিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে মেডিক্যাল বেড ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান, দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন এবং দুর্যোগকালে ত্রাণ সহায়তা প্রদান মানবিক সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
শিক্ষাক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সমাজ উন্নয়নে অবদান রেখে আসছেন আলহাজ্ব এম এ জাফর । রাজনীতিতেও তিনি প্রবাসে থেকেও দেশের স্বার্থে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। এলডিপি বাংলাদেশ–আমেরিকা শাখার সভাপতি হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠিত করা, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আন্তর্জাতিক জনমত গঠন এবং দলীয় কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি এলডিপি কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে বিদেশে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর মতে, আলহাজ্ব এম এ জাফর প্রমাণ করেছেন, ভৌগোলিক দূরত্ব কখনোই মানবিকতার পথে বাধা হতে পারে না।
সুদূর আমেরিকা থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মকে মানবিক ও সমাজসেবামূলক কাজে অনুপ্রাণিত করছে।